Skip to main content

খাবার গরম করতে পারে এমন ব্যাগ বাজারে আসছে

 অফিস বা ভ্রমণের সময় ঘর থেকে রান্না করা খাবার সঙ্গে নেওয়ার ক্ষেত্রে একটি বড় সমস্যা হল খাবার ঠান্ডা হয়ে যাওয়া। এই সমস্যার সমাধান করতে জাপানের একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান উইলটেক্স একটি বিশেষ ধরনের ব্যাগ তৈরি করেছে। এই ব্যাগটির নাম "উইলকুক"।

উইলকুক ব্যাগটিতে তাপ ধরে রাখতে সক্ষম বিশেষ ধরনের কাপড় (ই-ফেব্রিকস) ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়াও ব্যাগটির ভেতরের একটি পোর্টেবল ব্যাটারি রয়েছে। এই ব্যাটারির মাধ্যমে ব্যাগটির ভেতরের তাপমাত্রা ২৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়ানো যায়।

ব্যাগটিতে খাবার রাখার পর মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে ব্যাগটির ভেতরের তাপমাত্রা ৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠে যায়। এরপর ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। ফলে ব্যবহারকারীরা নিজেদের প্রয়োজনমতো খাবার গরম করতে পারেন।

উইলকুক ব্যাগটিতে ভেতরে খাবার রাখার পর একবার চার্জ করলে প্রায় আট ঘণ্টা পর্যন্ত সেগুলো গরম রাখা যায়। ব্যাগটি কাঁধে ঝোলানোর উপযোগী। এছাড়াও ব্যাগটি ব্যবহারের পদ্ধতিও বেশ সহজ। স্মার্টফোন থেকেই অ্যাপের মাধ্যমে ব্যাগ চার্জ করার পাশাপাশি ভেতরের তাপমাত্রা নির্ধারণ করা যায়।

উইলটেক্সের দাবি, আগামী মে মাসে বাজারে আসতে পারে উইলকুক ব্যাগটি। এর আনুমানিক দাম হতে পারে ১২০ থেকে ১৫০ পাউন্ড।

উইলকুক ব্যাগটি বাজারে আসার পর খাবার গরম করার ক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তন আনতে পারে। এই ব্যাগটির মাধ্যমে অফিস বা ভ্রমণের সময় ঘর থেকে রান্না করা খাবার তাজা তাজা গরম করে খাওয়া সম্ভব

 হবে।

Comments

Popular posts from this blog

পানামা নদীতে একটি রহস্যময় প্রাণী দেখা গেছে। (লা ক্রিয়েচারা)

 পানামা নদীতে একটি রহস্যময় প্রাণী দেখা গেছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন। প্রাণীটিকে একটি বড়, বাদামী প্রাণী বলে বর্ণনা করা হয়েছে যা একটি কুমির বা ডলফিনের মতো দেখাচ্ছে। প্রাণীটিকে প্রথম দেখতে পান পানামার একটি স্থানীয় মৎস্যজীবী। তিনি জানান, তিনি নদীতে মাছ ধরার সময় প্রাণীটিকে দেখেছেন। প্রাণীটি ছিল প্রায় ৮ ফুট লম্বা এবং এর পিঠে একটি দীর্ঘ লেজ ছিল। স্থানীয়রা প্রাণীটিকে "লা ক্রিয়েচারা" (লা ক্রিয়েচারা) বলে ডাকছেন। তারা বিশ্বাস করেন যে এটি একটি নতুন প্রজাতির প্রাণী। পানামার সরকার প্রাণীটিকে চিহ্নিত করার জন্য একটি তদন্ত শুরু করেছে। তারা আশা করছেন যে এটি একটি নতুন প্রজাতির প্রাণী হতে পারে, তবে এটিও সম্ভব যে এটি একটি পরিচিত প্রজাতির একটি অজানা উপপ্রজাতি।

ডেথ স্পাইরাল বা পিঁপড়ার মৃত্যুর বৃত্ত।

 পিঁপড়ার মৃত্যুর বৃত্ত হল একটি প্রাকৃতিক ঘটনা যেখানে সেনাবাহিনীর পিঁপড়ারা ঘূর্ণায়মান বৃত্ত তৈরি করে এবং শেষ পর্যন্ত ক্লান্ত হয়ে মারা যেতে পারে। এটি একটি বিরল ঘটনা, তবে এটি বিভিন্ন সময়ে এবং বিভিন্ন জায়গায় দেখা গেছে। পিঁপড়ার মৃত্যুর বৃত্ত গঠনের সঠিক কারণ অজানা। তবে, এটি বিশ্বাস করা হয় যে এটি ঘটে যখন পিঁপড়াগুলি তাদের ফেরোমন ট্র্যাক হারায় এবং একে অপরকে অনুসরণ করতে শুরু করে। এই বৃত্তটি সাধারণত "ডেথ স্পাইরাল" নামে পরিচিত কারণ পিঁপড়া শেষ পর্যন্ত ক্লান্ত হয়ে মারা যেতে পারে।

আইভি মাইক: প্রথম পারমাণবিক বোমা

 স্থান: এনুয়েটেক এটোল, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জস ময়: ১ নভেম্বর ১৯৫২, সকাল ৭:১৫ টার স্থানীয় সময় আইভি মাইক ছিল প্রথম পারমাণবিক বোমা যা একটি পূর্ণ-স্কেল পরীক্ষায় বিস্ফোরিত হয়েছিল। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বারা এনুয়েটেক এটোল, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে পরিচালিত হয়েছিল। বোমাটি 10.4 মেগাটন TNT-এর সমান শক্তি বিস্ফোরিত করেছিল, যা টোকিওতে ফেলা বোমাগুলির চেয়ে প্রায় 1,000 গুণ বেশি শক্তিশালী ছিল। আইভি মাইকের বিস্ফোরণ একটি বিশাল মাশরুম মেঘ তৈরি করেছিল যা 50 মাইলের বেশি উচ্চতায় উঠেছিল। বিস্ফোরণের তাপমাত্রা 100 মিলিয়ন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছেছিল। বিস্ফোরণের শব্দ 1,000 মাইল দূরে শোনা গিয়েছিল। আইভি মাইকের বিস্ফোরণ পারমাণবিক যুগে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ছিল। এটি প্রমাণ করেছে যে পারমাণবিক শক্তিকে একটি কার্যকর অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।