Skip to main content

Posts

Showing posts with the label প্রাণী

উড়ন্ত মাছ: প্রকৃতির আশ্চর্য সৃষ্টি

 উড়ন্ত মাছ হল এমন একটি মাছ যা জলের ওপর দিয়ে উড়তে পারে। এরা সামুদ্রিক মাছ এবং বিশ্বের উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়। উড়ন্ত মাছের বৈজ্ঞানিক নাম হল Exocoetidae। এদের দৈর্ঘ্য সাধারণত ১০ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়। উড়ন্ত মাছ উড়তে পারে তার বক্ষ পাখনার কারণে। এদের বক্ষ পাখনা ডানার মতো লম্বা এবং প্রসারিত। উড়ন্ত মাছ জলের তলায় দ্রুত সাঁতার কাটতে গিয়ে যখন জলের ওপর দিয়ে উঠে আসে, তখন এদের বক্ষ পাখনা বাতাসে প্রসারিত হয়ে উড়তে শুরু করে। উড়ন্ত মাছ বাতাসে ৩০ সেকেন্ড পর্যন্ত ভেসে থাকতে পারে এবং ১০ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত উড়তে পারে। উড়ন্ত মাছ মূলত শত্রু থেকে বাঁচার জন্য উড়তে পারে। এরা শিকারী পাখি, মাছ এবং সামুদ্রিক স্তন্যপায়ীদের হাত থেকে বাঁচার জন্য উড়ে পালায়। উড়ন্ত মাছ এছাড়াও খাদ্য সংগ্রহের জন্যও উড়তে পারে। এরা উড়ে উড়ে মাছ, পোকামাকড় এবং অন্যান্য প্রাণী শিকার করে।

গ্রেট লেক ফিস উত্তর দিকে চলে যাচ্ছে।

 জলবায়ু পরিবর্তন গ্রেট লেকের মাছগুলিকে তাদের স্বাভাবিক আবাসস্থল থেকে উত্তর দিকে সরিয়ে নিচ্ছে। গবেষণায় দেখা গেছে যে গত 50 বছরে, গ্রেট লেকগুলির তাপমাত্রা 1.5 ডিগ্রি ফারেনহাইট (0.8 ডিগ্রি সেলসিয়াস) বৃদ্ধি পেয়েছে। এই তাপমাত্রা বৃদ্ধি মাছের জন্য তাদের প্রয়োজনীয় খাদ্য এবং বাসস্থান খুঁজে পাওয়া কঠিন করে তুলছে। উদাহরণস্বরূপ, সাদা পাইক, যা গ্রেট লেকের একটি সাধারণ মাছ, তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে উত্তর দিকে চলে যাচ্ছে। সাদা পাইকগুলি ঠান্ডা জলে বাস করতে পছন্দ করে, তাই তারা গ্রেট লেকের উত্তরে ঠান্ডা জল খুঁজছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গ্রেট লেক ফিসের উপর প্রভাবগুলি উল্লেখযোগ্য। মাছগুলি তাদের আবাসস্থল থেকে দূরে সরে যাওয়ার সাথে সাথে, তারা খাদ্য এবং শিকারীদের জন্য নতুন প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হচ্ছে। এটি মাছের জনসংখ্যা হ্রাস এবং মাছ ধরার শিল্পের ক্ষতি করতে পারে। চিত্র: সাদা পাইক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গ্রেট লেক ফিসের উপর প্রভাবগুলি কমাতে সরকার এবং ব্যবসাগুলি কিছু পদক্ষেপ নিতে পারে। এই পদক্ষেপগুলির মধ্যে রয়েছে: গ্রেট লেকের জলের তাপমাত্রা কমাতে শক্তির দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ক্লাইমেট-বান্ধব জ্বালানী ...

বিশ্বের বৃহত্তম সামুদ্রিক পাখি কোথায় উড়তে জানে?

  বিশ্বের বৃহত্তম সামুদ্রিক পাখি হল অ্যালবাট্রস। এরা প্রায় 10 ফুট (3 মিটার) লম্বা হতে পারে এবং তাদের ডানাগুলি 20 ফুট (6 মিটার) পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। অ্যালবাট্রসগুলি বিশ্বের সমস্ত মহাসাগর জুড়ে বিস্তৃত। তারা বাতাসে ঘন্টার পর ঘন্টা উড়তে পারে এবং হাজার হাজার মাইল দূরত্বে ভ্রমণ করতে পারে। অ্যালবাট্রসগুলি কীভাবে কোথায় উড়তে জানে তা নিয়ে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন। তারা আবিষ্কার করেছেন যে অ্যালবাট্রসগুলি তাদের চোখ, নাক এবং কান ব্যবহার করে তাদের পরিবেশ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে। অ্যালবাট্রসগুলি তাদের চোখ ব্যবহার করে পৃথিবীর আকৃতি এবং উপকূলের অবস্থান চিনতে পারে। তারা তাদের নাক ব্যবহার করে বায়ুমণ্ডলের চাপ এবং তাপমাত্রা পরিমাপ করতে পারে। এবং তারা তাদের কান ব্যবহার করে পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র অনুভব করতে পারে। এই তথ্যগুলি একত্রিত করে, অ্যালবাট্রসগুলি তাদের অবস্থান এবং কোথায় উড়তে হবে তা নির্ধারণ করতে পারে। অ্যালবাট্রসগুলির ভ্রমণ পথগুলি খুব নির্দিষ্ট। তারা প্রতি বছর একই জায়গায় ফিরে আসে, এমনকি যদি তারা হাজার হাজার মাইল দূরে থাকে। তারা তাদের ভ্রমণ পথগুলি কীভাবে মনে রাখে তা নিয...